আগুনে মাংস পোড়ে
ঈশ্বর-আদেশ সেইরূপ
বনস্থালী পুড়ে খাক্, ছাইয়ের গাদার নিচে
স্তূপ-
-আকারে ভক্ষ্য থাকে
মিঠে আলু, বেগুন, আতপে সেদ্ধ হওয়া চাল
বিনিময়ে সিদ্ধি মিলে, বিনিময় মিলের গোপাল
বিধর্মীর বাড়ি পোড়ে
পাদ্রী পোড়ে শিশুটির সাথে
নীরব শান্ত গ্রাম ভেট আসে রাজার সেবা-তে
আগুনে ভিখিরি পোড়ে
আগুন জ্বালান ভগবান
পূর্ণিমা আকাশে ভেসে যাওয়া চাঁদের বাগান
বাগানে কুসুমদোলা, রঙ থেকে রঙে হিল্লোল
ঈশ্বর উবাচ, ফাল্গুনি-
দ্যাখো, কাল আমাদের দোল
Thursday, April 21, 2011
Bipolar
অতি আরবিট সব সেক্স প্র্যাক্টিস,
মেট্রোর কামরার ফাঁকে
উইলিদুর্গপাশে বৃহ্ৎ ব্যারাকে
হাতিশুঁড় প্রেম যা যা জমা রাখতিস-
...
অতি গোপনীয় সব ভোরের ফেটিশ
ট্রাম থেকে ধুলোঘোরা মোড়ে
সফেদ সৌধ থেকে রোদের পালক মেখে ওড়ে
পরী, তার করুণা পেতিস
...
অতি মলমীয় সেই ক্ষতে পুলটিস
গোপন রাখার খেলা, ঘাস ও ময়দান
ব্লেডের করুণা আর সিলিং-এর দড়ি টানটান
বনবীথি চুপ- ঝুলছিস-
মেট্রোর কামরার ফাঁকে
উইলিদুর্গপাশে বৃহ্ৎ ব্যারাকে
হাতিশুঁড় প্রেম যা যা জমা রাখতিস-
...
অতি গোপনীয় সব ভোরের ফেটিশ
ট্রাম থেকে ধুলোঘোরা মোড়ে
সফেদ সৌধ থেকে রোদের পালক মেখে ওড়ে
পরী, তার করুণা পেতিস
...
অতি মলমীয় সেই ক্ষতে পুলটিস
গোপন রাখার খেলা, ঘাস ও ময়দান
ব্লেডের করুণা আর সিলিং-এর দড়ি টানটান
বনবীথি চুপ- ঝুলছিস-
গাজন
ফেটে ওঠা মাটি এই চৈত্রের বুকে রক্ত চেয়েছে মাগো এরকমই সন্তাপ আঁধি ফিরে ফিরে আসে নিযুত বছরে তার তারাচিহ্ন ছাপে ধরে রাখি আঙুলে ছুঁচের ডগা জিহ্বাগ্রে বর্শা আর বিভিন্ন অস্তরে ছিঁড়ে ফেলি চামড়ার গ্লানি প্রগাঢ় উপোস অন্তে সোঁদাসোঁদা গেটের গভীরে গাভীর বিষাদচোখে দেখি বরষা আঁধারঘন কালো মেঘ মেশে ধানক্ষেতে গাভীটিও ঘরে ফেরে ফেনিল এই উৎসব শেষে মহামারী রোগ মৃত্যু আদি ক্রমশঃ চৈত্রে এসে পড়ে অনেক বসন্তের এই পথ অনেক কূজন আর অনিবার্য সব দংশন বুক থেকে মাংসের মত খুবলেখুবলে খায় চোখ, স্তন্য, প্রত্যঙ্গসকল- উপবাস শেষে তাই কাঠের মাচায় উঠে আসি বৎসরান্তে কণ্টকে ঝাঁপ দিতে বিষ। তারপরই প্রখর নূতন-
Wednesday, March 2, 2011
রাতের সাইকেলে চৌরাস্তার দিকে আমি
ওসব পেছনে ফেলে আসি
বিদ্যুতে বিদ্যুতে তবু তোর চিঠি খুঁজে ফিরি আজও
এমন-ই এ রাত নামে
গাঢ় হয় তৃষ্ণা আমার
ঘুম নামে জ্যোৎস্নার পথে
শুধু মন্ত্রের মতো, শুধু শব্দের মতো এগিয়েছি
রাত্রির সাইকেলে চৌরাস্তার দিকে আমি
সবকটা কষ্টই কেঁদে ফ্যালে তখনই এমন
প্যাডেল বিফল ঘুরে যায়।
এমন রাতে আমি শুধু একা, একান্ত আওয়াজ
যদি চিৎকার ক'রে কাঁদি,
ঘুম ভেঙে কেউ শুনবেনা
যদি হাহাকার করি
যদি হাহাকার করি তোর নাম ধ'রে
মেঘে মেঘে ঘষা খেয়ে উবে যাবে
চাঁদ-ঘ্যাঁষা কান্না আমার।
বিদ্যুতে বিদ্যুতে তবু তোর চিঠি খুঁজে ফিরি আজও
এমন-ই এ রাত নামে
গাঢ় হয় তৃষ্ণা আমার
ঘুম নামে জ্যোৎস্নার পথে
শুধু মন্ত্রের মতো, শুধু শব্দের মতো এগিয়েছি
রাত্রির সাইকেলে চৌরাস্তার দিকে আমি
সবকটা কষ্টই কেঁদে ফ্যালে তখনই এমন
প্যাডেল বিফল ঘুরে যায়।
এমন রাতে আমি শুধু একা, একান্ত আওয়াজ
যদি চিৎকার ক'রে কাঁদি,
ঘুম ভেঙে কেউ শুনবেনা
যদি হাহাকার করি
যদি হাহাকার করি তোর নাম ধ'রে
মেঘে মেঘে ঘষা খেয়ে উবে যাবে
চাঁদ-ঘ্যাঁষা কান্না আমার।
আমি ঘটালাম এক অভিজ্ঞতা
আমি ঘটালাম এক অভিজ্ঞতা
তখন দুপুরের উচ্চারণ
ড্রইং শিটের ভিড়ে জমে ওঠে শীতকাল
প্রাপ্তবয়স্ক শহরেতে
গঙ্গার পাড় ধরে ভেসে যায় পিকনিক
আর, আমি বসন্তে এসে পড়ি,
কলেজেও উৎসব পড়ে
কাঁচঘুরে ক্লাসঘরে ভেসে আসে ব্যান্ডের গান
একলা মাঠের বুকে এমনই হলুদ রোদ্দুর
আর ঘুরপথ ক্যান্টিন খোলা হাওয়ায় মাতামাতি সব
আমের বোল আসে ঝিরঝির বিকেলপাড়ায়
সেইসব মুকুলের ফুটে ওঠা রাস্তা বিঁধিয়ে
এরকমই ঋতুরোগে মিছিলে সামিল হয়ে গেছি।
তারপর অভিজ্ঞতা, বেঁচে থাকে যেমন মানুষ
বেঁচে ওঠা যেমন হয় রিকেটে খোঁড়ানো পা নিয়ে,
এখনও লড়াই চলে
এখনও লুকোনো কুঠুরিতে
ফিকে হওয়া তুলোট কাগজের ভাঁজে আঁকড়িয়ে ধরা থাকে
গুঁড়োগুঁড়ো সবুজ পরাগ
মহীরুহ হয়ে ওঠা গাছ
ছবির দেশের মেঘমালা আর ক্যামেরা হারানো ম্যাসাঞ্জোর
কিম্বা হীরাকুঁদে রুকস্যাক
তারপর জ্বলে ওঠে পিয়ানোটা
এখনই আসর শুরু হবে,
অথচ অভিজ্ঞতা ইতিপূর্বে বলে দিয়ে গ্যাছে,
এরপর ঠিক কী কী হবে
কীরকম হতে পারে,
কোথায় কতটা আনচান- তলপেটে ব্লিজার্ড কখন;
আর সেই মিছিলের রাজপথে, মহাসড়কেতে
যুদ্ধের সব ক্লাসরুমে
বেহালা বাজিয়ে যায় নির্বাসন
মেট্রোর একলা পাতালে, শিউলিফুলের মত
ঝরে পড়ে অভিজ্ঞতা সব।
তখন দুপুরের উচ্চারণ
ড্রইং শিটের ভিড়ে জমে ওঠে শীতকাল
প্রাপ্তবয়স্ক শহরেতে
গঙ্গার পাড় ধরে ভেসে যায় পিকনিক
আর, আমি বসন্তে এসে পড়ি,
কলেজেও উৎসব পড়ে
কাঁচঘুরে ক্লাসঘরে ভেসে আসে ব্যান্ডের গান
একলা মাঠের বুকে এমনই হলুদ রোদ্দুর
আর ঘুরপথ ক্যান্টিন খোলা হাওয়ায় মাতামাতি সব
আমের বোল আসে ঝিরঝির বিকেলপাড়ায়
সেইসব মুকুলের ফুটে ওঠা রাস্তা বিঁধিয়ে
এরকমই ঋতুরোগে মিছিলে সামিল হয়ে গেছি।
তারপর অভিজ্ঞতা, বেঁচে থাকে যেমন মানুষ
বেঁচে ওঠা যেমন হয় রিকেটে খোঁড়ানো পা নিয়ে,
এখনও লড়াই চলে
এখনও লুকোনো কুঠুরিতে
ফিকে হওয়া তুলোট কাগজের ভাঁজে আঁকড়িয়ে ধরা থাকে
গুঁড়োগুঁড়ো সবুজ পরাগ
মহীরুহ হয়ে ওঠা গাছ
ছবির দেশের মেঘমালা আর ক্যামেরা হারানো ম্যাসাঞ্জোর
কিম্বা হীরাকুঁদে রুকস্যাক
তারপর জ্বলে ওঠে পিয়ানোটা
এখনই আসর শুরু হবে,
অথচ অভিজ্ঞতা ইতিপূর্বে বলে দিয়ে গ্যাছে,
এরপর ঠিক কী কী হবে
কীরকম হতে পারে,
কোথায় কতটা আনচান- তলপেটে ব্লিজার্ড কখন;
আর সেই মিছিলের রাজপথে, মহাসড়কেতে
যুদ্ধের সব ক্লাসরুমে
বেহালা বাজিয়ে যায় নির্বাসন
মেট্রোর একলা পাতালে, শিউলিফুলের মত
ঝরে পড়ে অভিজ্ঞতা সব।
Tuesday, March 1, 2011
পুরাতনী
সবই তো পুরোনো হয়ে আসে
ঝিকমিকে রোদ্দুর, বিকেলের ফিকে হওয়া আলো
বিপন্ন চোখে চোখে মায়ারা যে স্বপ্ন বসালো
কী সহজে তারাও ফ্যাকাশে
মিছিলের উত্তুঙ্গ দাবি
শহরের রাজপথে জনরোষ, লড়াকু নিশান
ভোর আসবেই ভেবে ভিতরের ঘুমভাঙা গান
সে স্লোগানও অস্তস্বভাবী
খুঁজে পাওয়া সূর্যের দেশ
রাতের দেওয়ালে ছিল সেই স্বপ্নের ছবি আঁকা
বিষাদের বুক নিয়ে গঙ্গার ঘাটে একা একা
আজ তার ধ্বংসাবশেষ
এসবই ফুরিয়ে গ্যাছে শোনো
হলুদ ছবিরা আর অ্যালবাম, কবিতার বই
রাত নেমে এলে আমি তোর নাম ধরে চ্যাঁচাবোই
সেই নামও অতীব পুরোনো
ঝিকমিকে রোদ্দুর, বিকেলের ফিকে হওয়া আলো
বিপন্ন চোখে চোখে মায়ারা যে স্বপ্ন বসালো
কী সহজে তারাও ফ্যাকাশে
মিছিলের উত্তুঙ্গ দাবি
শহরের রাজপথে জনরোষ, লড়াকু নিশান
ভোর আসবেই ভেবে ভিতরের ঘুমভাঙা গান
সে স্লোগানও অস্তস্বভাবী
খুঁজে পাওয়া সূর্যের দেশ
রাতের দেওয়ালে ছিল সেই স্বপ্নের ছবি আঁকা
বিষাদের বুক নিয়ে গঙ্গার ঘাটে একা একা
আজ তার ধ্বংসাবশেষ
এসবই ফুরিয়ে গ্যাছে শোনো
হলুদ ছবিরা আর অ্যালবাম, কবিতার বই
রাত নেমে এলে আমি তোর নাম ধরে চ্যাঁচাবোই
সেই নামও অতীব পুরোনো
ফেরা
এ শহর সবকিছু জানে
কোনও এক মানবীর তরে হৃদয়ের গোপন কুঠুরিতে
রক্তের অবিরাম স্রোত
নিয়তি যেমন, বয়ে যায়
একলা রাতের বাসস্ট্যান্ড - ভীড় বাস
লাস্ট ট্রেনে বাড়ি ফেরা, মেট্রোর মত তীব্রতা
আর পথের বাঁকের মোড়ে
অপেক্ষা, শহরের মতো
বাইপাসে একলা হেঁটেছি, শীত শেষ হলে দেখো
দুপাশের লালফুল-রাধাচূড়া-ধুলোধুলো বসন্ত মাখে
আর সেই রক্তের স্রোত
নিয়তি যেমন, বয়ে যায় -
বাস কমে, ফুটপাথে উঠে আসে মানুষের বাস
রাস্তা একলা হয়ে পড়ে।
নতুন পাতার সেই ঘ্রাণ- ছায়াপথে
কুয়াশা সরালে সব প্রকাশ হয়ে যাবে
তবুও এখন,
এখন দুহাত পেতে ভিক্ষে করছি উষ্ণতা,
সম্বল হারিয়েছি তোর সাহচর্যে যা যা ছিলোঃ
গরমভাপের মতো, ঘোরাপথে নিঃশ্বাসবায়ু,
এই শীতকালে আমি একলা থাকার চেয়েও
একা--
কোনও এক মানবীর তরে হৃদয়ের গোপন কুঠুরিতে
রক্তের অবিরাম স্রোত
নিয়তি যেমন, বয়ে যায়
একলা রাতের বাসস্ট্যান্ড - ভীড় বাস
লাস্ট ট্রেনে বাড়ি ফেরা, মেট্রোর মত তীব্রতা
আর পথের বাঁকের মোড়ে
অপেক্ষা, শহরের মতো
বাইপাসে একলা হেঁটেছি, শীত শেষ হলে দেখো
দুপাশের লালফুল-রাধাচূড়া-ধুলোধুলো বসন্ত মাখে
আর সেই রক্তের স্রোত
নিয়তি যেমন, বয়ে যায় -
বাস কমে, ফুটপাথে উঠে আসে মানুষের বাস
রাস্তা একলা হয়ে পড়ে।
নতুন পাতার সেই ঘ্রাণ- ছায়াপথে
কুয়াশা সরালে সব প্রকাশ হয়ে যাবে
তবুও এখন,
এখন দুহাত পেতে ভিক্ষে করছি উষ্ণতা,
সম্বল হারিয়েছি তোর সাহচর্যে যা যা ছিলোঃ
গরমভাপের মতো, ঘোরাপথে নিঃশ্বাসবায়ু,
এই শীতকালে আমি একলা থাকার চেয়েও
একা--
Subscribe to:
Posts (Atom)