ইংগিত পাইনি কোনও
এতটা সংজ্ঞা ছিলোনা, যে,
স্বপ্নসংখ্যা গুনে বুঝে নিতে পারি সত্যির সংকেত
তবু উদাসী হাওয়ার সঞ্চারে
সমীপবর্তী হয়ে উঠি – আরও
অথচ, বীতস্পৃহা সঞ্চয় করবো ব’লে তো
এগোইনি এতদূর নিঃসঙ্গতার পথে,
সন্ধ্যা নিবিড় হয়, স্তম্ভে আলো জ্বলে ওঠে
দক্ষিণের সংরাগ,
আমরা আরও সংগতিহীন হই,
শুধু কি সম্পর্কেই সিক্ত হতে চেয়েছিলাম
সংকটের দিন?
স্তব্ধতা সহ্যের অতীত হলে সঙ্গী খুঁজে চলি,
অথচ বন্ধুরা,
কেউ তো আসেনি সন্তাপ লঘু ক’রে দিতে
কেবল শঙ্কার রাত
বিস্তীর্ণ হয়েছিলো দেখি।
আমি অতি সংগতিহীন
সংগ্রহে সূর্যরাগও ছিলোনা যে,
সত্যি থেকে প’ড়ে নেবো স্বপ্নের সংকেত।
স্তিমিত হই না তাও, সংশয়ে –
সন্ধির হাত বিস্তৃত করি, আর, সঞ্চয়ের সবটুকু
সমাপ্তির পথে নিভে যায়।
স্বপ্নের শেষটাও সংগীতে সংগৃহীত হ’লো;
নিসর্গে সন্ধে আসে, একা থাকি আমি
ফাঁকা মাঠে,
স্বর্গছেঁড়া সব বৃন্তে পীড়ন-ই প্রেরিত হয় শুধু
সুন্দরকে দেখে চলি সুপ্তির অবকাশে – শেষে,
এই পথ ধ’রে তুমি হেঁটে গ্যাছো উৎসবের দিকে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment